বিশ্বকাপের মঞ্চে না থেকেও আছে ভারত

বিশ্বকাপের উত্তাপে গা সেঁকছে গোটা বিশ্ব। ভারতও তার ব্যতিক্রম নয়। ভারতীয় ক্রীড়ামহলেও এখন তুমুল আলোচনায় মেসি, রোনাল্ডো, এমবাপে কিংবা ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ফ্রান্স। ১৩০ কোটি দেশের দুর্ভাগ্য, এখনও তারা বিশ্বকাপের মঞ্চে পা ফেলতে পারেনি। সুযোগ এসেছিল একবারই। সেই ১৯৫০ সালে। কিন্তু টেকনিক্যাল কারণে বিশ্বকাপে খেলতে পারেনি ভারত। তারপর আর কোনও সুযোগই আসেনি।
আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোয় এবার ইতিহাসের বৃহত্তম বিশ্বকাপ। স্বাভাবিকভাবেই সেখানেও নেই ভারত। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে না থেকেও আছে ভারত। কীভাবে? এবার বেশ কয়েকজন ভারতীয় বংশোদ্ভুত ফুটবলার আছেন বিশ্বকাপে। নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, কাতার, ডিআর কঙ্গো দলে রয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত ফুটবলাররা।
ভারতীয় বংশোদ্ভুত ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত নাম নিউজিল্যান্ডের সরপ্রীত সিং। অকল্যান্ডে জন্ম। বাবা মায়ের শিকড় পঞ্জাবের জলন্ধর। ২৭ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের দিকে নজর থাকবে ভারতীয়দেরও। ২০১৯ সালে তাঁকে সই করায় বায়ার্ন মিউনিখ। তারপরই তাঁর আন্তর্জাতিক পরিচিতি। ২০১৮ সালে নিউজিল্যান্ডের হয়ে তাঁর অভিষেক। চোট কাটিয়ে আবার স্বমহিমায় ফিরেছেন সরপ্রীত।
এরপর তাকান কাতারের তাহসিন মহম্মদ জামশিদের দিকে। ১৯৯৬ সালে কেরলের কান্নুর থেকে কাতারে চলে যান তাহসিনের বাবা জামশিদ ও মা শাইমা। ২০০৬ সালের ১৬ জুন দোহায় জন্ম তাহসিনের। কাতারের নামী অ্যাকাডেমিতে ফুটবল শিক্ষা শুরু। বর্তমানে দ্রুতগতির উইংগার হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন কাতার ফুটবলে। বয়স ভিত্তিক জাতীয় দলে খেলার পর এবার সিনিয়র দলের হয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে। তিনিই কাতার স্টারস লিগে খেলা প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভুত ফুটবলার। এবার নতুন ইতিহাস বিশ্বকাপের আসরে।
অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ দলে রয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত ফুটবলার নিশান ভেলুপিল্লাই। ২০০১ সালের ৭ মে মেলবোর্নে তাঁর জন্ম। বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে চিনের বিরুদ্ধে অভিষেকেই গোল করার পর থেকে দলে নিয়মিত। তামিল বংশোদ্ভুত ফুটবলারদের মধ্যে ইতিহাস গড়ছেন নিশান।
স্যামুয়েল মোতোউস্বামী। ভারতীয় বংশোসূত্র থাকা এই ফুটবলার ডিআর কঙ্গোর প্রতিনিধি। তাঁর জন্ম প্যারিসে। মা কঙ্গোর বাসিন্দা হলেও বাবার পরিবার ইন্দো গুয়াডেলুপীয় ও তাঁদের শিকড় তামিল সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্ত। ২০১৯ সালে ডিআর কঙ্গোর হয়ে অভিষেকের পর স্যামিয়েল ৫৭টি ম্যাচ খেলেছেন জাতীয় দলের হয়ে। বিশ্বকাপে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসাবে ডিআর কঙ্গোর বড় ভরসা তি
